মৃন্ময় ৭৫

 
আকাশের ঠিক নীচে মাটি আর ঘাস যেখানে মিশে
উষার আকাশে অপার সৌন্দর্য্য নিয়ে উঁকি দেয় শুকতারা
রহস্যের ইন্দ্রজালে ভেঙ্গে গেলে ঘুম,
তাকিয়ে দেখি শিশিরের জলে ভিজে আছে পোড়া জমি।
হেমন্তের বাঁশপাতায় মরমর ধ্বনি
কুয়াশার চাদর তলে কৃষক-কৃষাণী জড়োসড়ো
পৃথিবীর মত বুড়িয়ে যায় রাতের তারা, চাঁদের আলো
তবু, ধোঁয়াটে ধানক্ষেতে নিয়মমাফিক কাকতাড়ুয়া দাঁড়িয়ে।
ফিরে এলে সন্ধ্যারাতি
ইদুর-আরশোলা খুঁজে ফিরে আপদশূন্য স্থান
জ্যোৎস্না খুঁজে নেয় গৃহত্যাগী মানব
কত কেউ বুকের ভাঁজে গুঁজে দেয় আতর-গোলাপ
অরণ্যের বুকে দু’কদম রাখি, তাকিয়ে দেখি,
হিম আকাশের গায়ে ভয়ে মুখ লুকায় দলছুট মেঘের দল
আকাশের নক্ষত্ররা পথ হারিয়ে ফিরে যায় ঘরে।
এরপর তুমি এলে, হৃদয় জমা রাখি সবুজের কাছে
বিছানায় শুয়ে শুনি সমুদ্রের মিহি স্বর
জানালা খুলতেই জলের বাতাসে ডানা ঝাপটে উড়ে গেল পাখীর দল।
তুমি আসতেই হৃদয় ভুলে গেলো রাতভর অপেক্ষার প্রহর
মাঠের নীরবতায় পরিত্যাক্ত অশ্বথ, অন্ধকারে বিচ্ছেদের সুর
উড়ে গেল বাতাসে ধুলো খড়, গাছের বাদামী জীর্ণ পাতা
তুমি আসতেই আকাশ তলে পৃথিবী ভুলে গেলো তার ঘুমের প্রয়োজন।

 

এরপর তুমি এলে, হ্নদয় জমা রাখি সবুজের কাছে
বিছানায় শুয়ে শুনি সমুদ্রের মিহি স্বর
জ্বানালা খুলতেই জলের বাতাসে ডানা ঝাপটে উড়ে গেল পাখীর দল।
তুমি আসতেই হ্নদয় ভুলে গেল রাতভর অপেক্ষার প্রহর
মাঠের নীরবতায় পরিত্যাক্ত অশ্বথ, অন্ধকারে বিচ্ছেদের সুর
উড়ে গেল বাতাসে ধূলো খড়, গাছের বাদামী জীর্ণ পাতা
তুমি আসতেই আকাশ তলে পৃথিবী ভুলে গেল তার ঘুমের প্রয়োজন।