মৃন্ময় ৭৪

বড় বেশী বর্ণহীন জীবন, এখানে কেউ কারো নয়
দ্বায়বদ্ধ জীবনের চতুরতায় কেবল
অন্তরীক্ষে ফুঁসে উঠে মেঘ
যন্ত্রণার করুণ অভিমানে ক্নান্ত দেহ
তখনো খুঁজে জল ভেজা শিহরণ।
অতঃপর,
ভাঙ্গা পাঁজরের নীচে এক পা দু’পা করে তুমি
নিজের জায়গা করে নাও; ভালোবাসার দলিল হাতে।
বাঁচার নেশায় তখন নীল সন্ধ্যার কপালে
এঁকে দেই লাল টিপ
নিঃশ্বাস ছেড়ে দেখি সবুজ অরণ্যে গোলাপী ফুল
প্রতিশ্রুতিতে সংগোপনে আঁচলে গিঁট বাঁধা প্রেম;
জলসিঁড়ি বেয়ে তরতর করে উঠে আসে বুকের মধ্যখানে।
তারপর, জল স্পর্শের মত তোমাকে ছুঁয়ে ঘুমিয়ে পড়ি।
ওদিকে,
ঘোর কাটতেই বুকের উষ্ণতায় ফুঁসে উঠে বজ্রপাত
নির্বোধ! নির্বোধ আমি
রঙহীন জন্মাদ্ধ জ্যোৎস্নায় তোমায় নিয়ে কাব্য রচনা করি।
মৃন্ময়, জেনে রেখ,
তোমাকে না পেলে কাব্যিক ভাবনারা উড়ে যাবে দিগন্তসীমায়
হাস্নুহেনা গন্ধ ছড়াবেনা অবলীলায়
শিশির ভেজা ভোরে হৃদয়ে সেতারের সুর; ঝংকার তুলবে না আর
নির্লজ্জ্ব জ্যোৎস্নাস্নান, উঁকি দিবেনা জ্বানালার গ্রীলের ফাঁকে
তবু, মরে যাবো না
অসুখী মনে সিংহল সমুদ্র ফুঁসে উঠবে, নিশ্চিত জেনো
প্রতিশোধ স্পৃহায় জন্ম নেব হাজার বার
তোমাকে অপব্যয়িত করার বাসনায় হাস্নুহেনার বুকে দুর্যোগ হবে
অবশেষে ফিরে যাব আমার চিরচেনা পথে,
যেখানে নিঃস্বঙ্গতার সাথে সহবাসে মগ্ন আজন্ম চিৎকার।
মৃন্ময়, তোমাকে বলে দিলাম,
গোপন অভিসারে স্বপ্নের বিছানায় শুয়ে
জ্যোৎস্না চাঁদ মুখ আর দেখবোনা।